Saturday, February 23, 2008

বালক - বালিকা (১ম পর্ব)



হ্যাঁ বালক, তোমাকেই বলছি . . .
প্রেমিকার শরীর ঘেঁষে হাঁটছ, হাসছ।
ঘৃণ্য মানসিকতায় একটি মেয়েকে ঠকাচ্ছ প্রতিনিয়ত,
ভালোবাসাকে গলা টিপে তুমি করছো নিহত।
হত্যা করছো পৃথিবীর আরেকটি সৌন্দর্যকে,
কি বলব আজ তোমাকে?
তোমার নগ্ন মনের অস্থির কামনায়,
বাতাসে তোমার প্রেমিকার ওড়না সরে যায়।
ক্ষুদ্র কামনার তাড়নে আজ তুমি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছ,
প্রকাশ্যে চুমু খাচ্ছ তবু নির্লজ্জের মত হাসছ।

হ্যাঁ বালিকা, তোমাকেই বলছি . . .
অন্ধ হয়ে তুমি সেই ছেলেটিকে ভালোবাসছ।
ভালবাসা নয়, সেই ছেলেটি হয়তো অন্য কিছু চায়,
জড়িয়ে দিচ্ছ কেন নিজেকে আজ নিষিদ্ধ সে মায়ায়?
কিসের আশায় নিজেকে তুমি অমন করে সাজাও?
কার কথায় বাতাসে তোমার ওড়না সরিয়ে দাও?
ধ্বংস করছো নিজেকে, বিলিয়ে দিচ্ছ দিবা - নিশি,
নষ্ট করে নিজেকে, আজ বাতাসকে করেছো দোষী।

জেনে রাখ,
ভালোবাসা নয় বেহায়াপনা, যা ইচ্ছা তা করা,
ভালোবাসা হল বালক - বালিকার আশ্চর্য বোঝাপড়া।

Saturday, February 16, 2008

আমি বাংলাদেশকে দেখেছি


আমি গ্রীষ্মকে দেখেছি-
কাঠফাটা রৌদ্রের আড়ালে,
কখনো সুমিস্ট ফলের সুতীব্র ঘ্রাণে, কখনো প্রাণের হাহাকারে।

আমি বর্ষাকে দেখেছি-
কালো মেঘের বজ্রনাদের মাঝে,
কখনো বিষণ্ণ অঝর বারিধারায়, কখনো প্রলয়ংকরী বন্যায়।

আমি শরৎকে দেখেছি-
সাদা মেঘের ভেলায় ভাসতে,
কখনো রোদেলা দুপুরে, কখনো তীব্র নীল আকাশে।

আমি হেমন্তকে দেখেছি-
বিনম্র শান্ত শুভ্র বসনে,
কখনো পাকা ধানের শীষে বয়ে যাওয়া বাতাসে, কখনো কৃষকের হাসিতে।

আমি শীতকে দেখেছি-
কুয়াশার চাদরে মুড়ি দিয়ে,
কখনো শিশির মাড়াতে, কখনো দরিদ্র বৃদ্ধার জীর্ণ দেহে বেদনা ছড়াতে।

আমি বসন্তকে দেখেছি-
ঋতুরাজের বেশে,
কখনো ফুটন্ত ফুলের মাঝে, কখনো কোকিল হয়ে সকাল কিংবা সাঁঝে।

আমি বাংলাদেশকে দেখেছি-
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ছয়টি রূপে,
কখনো রাগে, কখনো অনুরাগে।