Saturday, November 16, 2019

ছোট্ট ছেলেটি

ছোট্ট ছেলেটি আজ তার মায়ের চোখকে ফাঁকি দিয়ে খেলতে গিয়েছিল। তাই খেলায় পাওয়া ব্যাথাগুলো সে তার মাকে বলতে পারেনি। পাছে তার খেলা না আবার বন্ধ হয়ে যায়।

সে তার কষ্টগুলোকে চাপা দিতে শিখেছে। বড়দের মত।

Monday, October 3, 2016

ওহ শুভ্র চাঁদ উদিল আমাদের মাঝে

ওহ শুভ্র চাঁদ উদিল আমাদের মাঝে 
আল-ওয়াদা'-র উপত্যকা থেকে,
তাঁর কৃতজ্ঞতাই তো পাওনা আমাদের থেকে
যখন আহ্বান আল্লাহর দিকে।

ওহ তুমি আমাদের মাঝে উদিলে
আনুগত্যেও এক বাণী নিয়ে,
তুমি এনেছ আভিজাত্য এই শহরে 
স্বাগতম শ্রেষ্ঠ আহ্বায়ক, স্রষ্ঠার পথের।
----------------

Tala‘a 'l-badru ‘alaynā 

طلع البدر علينا
ṭala‘a 'l-badru ‘alaynā
Oh the white moon rose over us

من ثنيات الوداع
min thaniyyāti 'l-wadā‘
From the valley of al-Wadā‘

وجب الشكر علينا
wajaba 'l-shukru ‘alaynā
And we owe it to show gratefulness

ما دعى لله داع
mā da‘ā li-l-lāhi dā‘
Where the call is to Allah.

أيها المبعوث فينا
’ayyuha 'l-mab‘ūthu fīnā
Oh you who were raised among us

جئت بالأمر المطاع
ji’ta bi-l-’amri 'l-muṭā‘
Coming with a word to be obeyed

جئت شرفت المدينة
ji’ta sharrafta 'l-madīnah
You have brought to this city nobleness

مرحبا يا خير داع
marḥaban yā khayra dā‘
Welcome best caller to God's way

----------------



----------------
শেষকথা: আমি সংগীতের কোনো প্রকার ভক্ত নই, তা সে ইসলামিক হোক বা অন-ইসলামিকই হোক।

Saturday, February 2, 2013

লালমনিতে খ্রিস্টান মিশনারীদের আধিপত্য

গত ২৮ জানুয়ারী অপু ভাইয়ের through তে আমি আর রাশেদ লালমনিরহাট গিয়েছিলাম শীতের কাপড় দিতে। ঢাকায় ঠান্ডা কম হলেও লালমনিতে এখনো বেশ ঠান্ডা। ওখানকার স্থানীয় এক মাদ্রাসার টিচার হুসেন ভাইয়ের সাথে মিলে সারাদিনে প্রায় ১২০ টি কম্বল দেয়া হয়েছে। আগের ও পরেরদিন মিলিয়ে প্রায় ৩০০ কম্বল দেয়া হল। আলহামদুলিল্লাহ, বেশ ভালোই হয়েছে পুরো কার্যক্রম।

শীতের কাপড় দিতে গিয়ে যেই জিনিসটা লালমনিতে বেশি চোখে পড়ল তা হলো খ্রিস্টান মিশনারীদের আধিপত্য। 'ধর্ম নিরপেক্ষ' বাংলাদেশে খ্রিস্টানরা তাদের ধর্মপ্রচার করতেই পারে। কিন্তু ব্যাপারটা শুধু এতটুকুতে সীমাবদ্ধ থাকলে হত। লালমনিতে দেখলাম খ্রিস্টানদের পরিচালিত নানারকম সংগঠন এমনকি ইসলামিক সেন্টার, মসজিদও আছে। সেখানে মুসলমানদের খ্রিস্টবাদ মিশ্রিত বিকৃত ইসলামের দাওয়াত দেয়া হয়। তাদের কিছু বই দেখে তো আমার চোখ কপালে। কুরআনের আয়াত আর হাদীসে ভরা কিছু কিছু বই দেখে অনেক মুসলিমই বোকা বনে যাবে। অথচ পুরা বই সেইসব কুরআন আর হাদীসের অপব্যাখ্যায় ভর্তি। আর বাকি বইগুলো ভরা শিরক-কুফরীতে। এইসব বই পড়লে আপনি জানতে পারবেন কিভাবে একজন ভালো মুসলিম হয়েও আপনি খ্রিস্টান হতে পারবেন, কিভাবে কুরআনে আল্লাহ মানুষকে পৃথিবীতে বাইবেল প্রতিষ্ঠা করতে বলেছেন, আরো কত কি!

কোটি কোটি টাকা খ্রিস্টানরা সেখানে খরচ করছে তাদের দাওয়াতের কাজে। টাকার লোভ দেখিয়ে সেখানে গরিব মুসলিমদের খিস্টান বানানো হচ্ছে। আর যথাযথ জ্ঞানের অভাবে টাকার বিনিময়ে সেখানকার গরিব লোকগুলো তাদের দ্বীন বিক্রি করে দিচ্ছে। বানানো হচ্ছে মিশনারী স্কুল যেখানে মুসলিম ছেলে-মেয়েরা পড়ছে। পড়ার ফাঁকে ধীরে ধীরে মিশিয়ে দেয়া হচ্ছে খ্রিস্টবাদের বিষ। গরিব ছেলে-মেয়ের জন্য তাদের আরেক অভিনব আবিস্কার হলো 'বন্ধু'! এখানে স্কুলের প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীকে পরিচিত করিয়ে দেয়া হয় এক বন্ধুর সাথে যে কিনা আমেরিকা, ইংল্যান্ড বা ইতালিতে বসে সেই ছেলে বা মেয়ের ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত থাকা, খাওয়া ও চিকিত্সা সহ সব খরচ বহন করবে।

এসবের বিরুদ্ধে কিছু বললেই মিশনারীরা আপনার নামে জে.এম.বি মামলা ঠুকে দিবে। আর জে.এম.বি-র মামলার কথা শুনলে পুলিশদেরও চোখ বড় বড় হয়ে যায়।

তারপরও ঝুকি নিয়ে হুসেন ভাই লোকটা প্রায় একাই কাজ করে যাচ্ছেন। লালমনি শহরে একটা মাদ্রাসা দেয়ার টাকা না থাকলেও তিনি থেমে নেই। সাধ্যমত চেষ্টা করে যাচ্ছেন স্কুল-মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার, অজ পাড়া গায়ে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দেয়ার। ভাবি কি হলো আজ আমাদের যে আমরা কিছুই করতে পারি না? পারি না সেখানে গিয়ে মানুষদের ইসলামের দাওয়াত দিতে, পারি না কিছু টাকা দিয়ে লালমনি শহরে মাদ্রাসার জন্য একটু জমি কিনে দিতে। আফসোস লাগে ...

Tuesday, October 9, 2012

মরুর গোলাপ



আমার বৃষ্টির স্বপ্ন,

মরুবা
লুকার বুকে বাগিচার স্বপ্ন।
আমার তীব্র ব্যথায় জেগে ওঠা আর
সপ্ন দেখা বয়ে চলা সময়ের মতো ভালোবাসার।

আমার অগ্নির স্বপ্ন যেন
বাধা পড়ে আছে, এক ক্লান্তিহীন ঘোড়ার সাথে।
স্ফুলিঙ্গে তার ছায়া খেলে যায়
মানবের আকাঙ্খার অবয়বে।

মরুর কন্টকাকীর্ণ গোলাপ,
যার প্রতিটি পাপড়ি একেকটি গোপন প্রতিজ্ঞা।

সেই মরুর পুষ্প,
কোনো সুরভিই কখনো
পারেনি আমায় এমন বেদনায় ভাসাতে।
অতঃপর তার ঘুরে দাড়ানো,
ঠিক এভাবেই তার চলন
যেনো আমার সকল স্বপ্নের যুক্তিতে।

এই আগুন পুড়ে যায়
অনুভবে কিছুই নেই আর আগের মতো।

আমার বৃষ্টির স্বপ্ন,
মরুবালুকার বুকে বাগিচার স্বপ্ন।
আমার তীব্র ব্যথায় জেগে ওঠা আর
স্বপ্ন দেখা বয়ে চলা সময়ের মতো ভালোবাসার।

আমার বৃষ্টির স্বপ্ন,
আমার শূন্য চেতনা আজ উত্তোলিত আসমানসম।
আখি মুদে ভাবি,
এই বিরল সুরভি যেন
তার ভালোবাসার মিষ্টি বিষাক্ততা।

আমার বৃষ্টির স্বপ্ন,
মরুবালুকার বুকে বাগিচার স্বপ্ন।
আমার তীব্র ব্যথায় জেগে ওঠা আর
স্বপ্ন দেখা বয়ে চলা সময়ের মতো ভালোবাসার

নিস্পাপ মরুর গোলাপ,
যার প্রতিটি পাপড়ি একেকটি গোপন প্রতিজ্ঞা।
এই মরুর পুষ্প,
এই বিরল সুরভি যেন
তার ভালোবাসারই মিষ্টি বিষাক্ততা। 


Sting-এর  "Desert Rose" গানের অবলম্বনে



Saturday, September 15, 2012

ভস্ম থেকে ভাষা


সারি সারি কত কৃষকের দল কাধে বয়ে হাল,
ক্ষেতের পানে হেঁটে চলে, অবিরাম বেসামাল।
মাথার ঘাম পায়ে ফেলে আর রক্ত বহায়ে হায়,
তারা সুনিপুণ হাতে ভবিষ্যতের বীজ বুনে যায়।

যা ছিল কৃষকের আর্তনাদ আর না শোনা কলতান -
মুহুর্তেই হয়ে ওঠে উন্মাতাল, অবিনশ্বর এক গান।
এ যেন রক্ত থেকে জন্ম নেয়া রক্তাক্ত, মুক্তির এক পথ
বিশ্বের বুকে একদল নির্ভিক কৃষকের, অস্তিত্বের শপথ,

হে কৃষক,
ঝেড়ে ফেলে সব কাতরতা আর ঝেড়ে ফেলে সব ভয়
আগুনের বীজ বুনেছিলে যা, তা আজ ফসলময়।
ফসলের পানে চেয়ে কেন মা কর কান্নাকাটি?
আগুনের ক্ষেতে ভস্ম ফলবে না তো ফলবে আর কি?

আগুনের বীজ বুনেছিলে যারা, দেখালে মোদের আশা
মনে আছে আজও ওই ভস্ম থেকেই জন্মেছিল এই ভাষা।

নতুন করে বাংলাদেশ জেগে ওঠো তুমি


আমি তোমার নামটা জানি একটু আধটু চিনি
খুঁজতে নেমে আমি তোমায় স্বপ্ন দিয়ে কিনি
সাধ জাগে তাই তোমার হাসি রক্ত দিয়ে কিনি
নতুন করে বাংলাদেশ জেগে ওঠো তুমি।

রাত দুপুরে বুঝতে পারি খুঁজতে গেছে ঘুম
প্রজাপতির ডানায় খুঁজি বিপন্ন বাসভূম
নদীর কাছে পায় না নদী চোখের ভেতর খুঁজি
বাধলে লড়াই তোমায় আমি দারুন করে বুঝি
একাত্তরের কাছে তো তাই আকাশ-পাতাল ঋণী
সাধ জাগে তাই তোমার হাসি রক্ত দিয়ে কিনি
নতুন করে বাংলাদেশ জেগে ওঠো তুমি।

ভর দুপুরে পায় না বলে সেই রোদটা খুঁজি
নানা রঙের শকুন বিলায় বেঁচে ওঠার পুঁজি
পুঁজির লোভে নিজকে বিকায় নষ্ট জীবির দলই
ত্রিশ কোটি বাহুতে আগুন এইটুকু সম্বল
একাত্তরের কাছে তো তাই হাজার বছর ঋণী
সাধ জাগে তাই তোমার হাসি রক্ত দিয়ে কিনি
নতুন করে বাংলাদেশ জেগে ওঠো তুমি।

ডাউনলোড লিঙ্কঃ
http://www.mediafire.com/?topajjbk44yj1ht

ফোনেটিকে "অভ্র কিবোর্ড"-এর বিকল্প 'গুগল ট্রান্সলিটারেশন'



ওয়েবে বাংলা লেখার জন্য অন্যতম জনপ্রিয় টুল "অভ্র কিবোর্ড". ইংরেজি কিবোর্ড লেআউট ব্যবহার করে বাংলা লেখাকে অনেকটা সহজ করে দিয়েছে এই অভ্র. কিন্তু সম্প্রতি একে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলো গুগল. গুগল নিয়ে এসেছে তাদের নিজস্ব বাংলা ফোনেটিক কিবোর্ড যা গুগল অক্ষরীকরণ ব্যবস্থা বা Google Transliteration System নামেও পরিচিত. আসুন এ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই-

সুবিধা:
১. এর কিবোর্ড ম্যাপিং আরো বেশি ব্যবহারবান্ধব. আপনি যেই শব্দ যেভাবে উচ্চারণ করেন ঠিক সেভাবেই লিখলে গুগল তাকে আপনার কাঙ্খিত শব্দে পরিণত করে দিবে. তাতে আপনার লেখার গতি বেড়ে যাবে কয়েক গুন.
উদাহরণ: s+w+a+v+a+b+i+k = স্বাভাবিক (অভ্র)
s+h+a+v+a+b+i+k = স্বাভাবিক (গুগল)

২. উন্নত সাজেশন ব্যবস্থা. আপনার প্রতিটি অক্ষর লিখার সাথে সাথে গুগল তাদের ডাটাবেস থেকে সম্ভাব্য শব্দে লিস্ট দিবে. এতে করে আপনার বানান ভুলের সম্ভাবনা একেবারে কমে যাবে.
উদাহরণ: u+d+a+h+o+r+o+N = উদাহর (অভ্র)
u+d+a+h+o+r+o+n = উদাহর (গুগল, এখানে 'উদাহর' => 'উদাহর' হয়ে গেছে)

৩. গুগল ঘন ঘন ব্যবহৃত শব্দগুলোকে বেশি প্রধান্য দেয়. এতে লেখা আরো সহজ হয়ে যায়.
উদাহরণ: আমি যদি একবার udarohon = উদাহর লিখি তাহলে সে পরবর্তীবার udarohon = উদাহর সাজেস্ট না করে 'উদাহর' সাজেস্ট করবে. 


অসুবিধা:
১. এখানে বাক্যের শেষে দাড়ি(|) দেয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই. আপাতত ফুলস্টপ(.) দিয়েই কাজ চালাতে হবে.

২. নিজের পছন্দ মতো শব্দের উপর চন্দ্রবিন্দু(ঁ) দেয়া যাচ্ছে না আপাতত. আপনারা কেউ পারলে জানাবেন.

টেস্ট:
নিচের লিঙ্ক থেকে বাংলা কিবোর্ডটি টেস্ট করে দেখতে পারেন. ভালো লাগলে নিচের ডাউনলোড সেকশন থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন.

ডাউনলোড:

ইনস্টল:
ইনস্টলেশন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন.